অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সকল নিয়ম

অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সকল নিয়ম গুলো যদি আপনার জানা থাকে, তাহলে অন্যের দ্বারস্থ না হয়ে নিজে নিজেই আপনি আপনার আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত করতে ও জমা দিতে পারবেন । আর এতে করে আপনাকে যেমন অন্য কারো সহয়তার জন্য বসে থাকতে হবেনা, আবার নিজের আয় ব্যয়ের হিসেব বিবরণী নিজেই জেনেবুঝে তৈরি করে দাখিল করতে পারবেন ।

অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সকল নিয়ম

সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি বা আধাসরকারি প্রতিষ্ঠানের বেশকিছু সেবা রয়েছে যেগুলো গ্রহন করতে হলে সেবা গ্রহীতার টিন সার্টিফিকেট থাকা বাধ্যতামুলক করা হয়েছে, যার কারণে অনেকেই টিন সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছেন এবং রিটার্ন দাখিল নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। আশা করি আজকের এই আর্টিকেলটা সম্পুর্ন পড়ার পরে আপনি আপনার আয়কর রিটার্ন নিজে নিজেই অনলাইনে দাখিল করতে পারবেন।

পেজ সুচিপত্রঃ অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সকল নিয়ম

অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সকল নিয়ম

আজকে আমরা এই আর্টিকেলের মাধ্যমে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সকল নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করবো এবং অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সকল নিয়ম কানুন গুলো ধাপে ধাপে এমনভাবে তুলে ধরবো যাতে করে আপনি এখন থেকে নিজের আয়কর রিটার্ন নিজে নিজেই জমা দিতে বা দাখিল করতে পারেন।

আর এর জন্য আপনাকে খুব বেশি কিছু জানতে হবে না কিংবা আহামরি কিছু শিখতে হবে না শুধু এই আর্টিকেলটা ভালভাবে পড়ে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সকল নিয়ম বা প্রক্রিয়া গুলো বুঝে সেই অনুযায়ী কাজ করলেই হয়ে যাবে। তাহলে চলুন আমাদের মুল আলোচনায় যায় এবং পর্যায়ক্রমে শিখে নিই অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সকল নিয়মগুলো ।  

আয়কর কি ? আয়কর কেন দিবো 

আয়কর (Income Tax) হলো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক আয়ের ওপর সরকার কর্তৃক ধার্যকৃত একটি প্রত্যক্ষ কর। নির্দিষ্ট পরিমাণ আয়ের বেশি উপার্জনকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে নিয়ম অনুযায়ী এই কর পরিশোধ করতে হয়, অর্থাৎ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের  আয়ের উপর যে কর ধার্য করা হয়, সেটাই মুলত আয়কর। সরকারি, বেসরকারি, নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান এর কর্মচারী এবং কর্মকর্তাদের উপর সাধারণত আয়কর আরোপ করা হয় বিধিসম্মত নিয়মে। 

রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিক (যাদের করযোগ্য আয় রয়েছে) তাদের সকলের উচিৎ আয়কর প্রদান করা, কারন আয়কর হচ্ছে সরকারি রাজস্ব বা আয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎস। এই উৎস হতে যে রাজস্ব আয় হয়, সেই অর্থ রাষ্ট্র পরিচালনাসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করা হয়। সাধারণ অর্থে যাদের উপর কর আরোপ করা হয় তাদেরকে বলা হয় করদাতা । প্রত্যক্ষ কর সাধারণত ব্যক্তির উপর প্রয়োগ করা হয়। আয়কর আইন ২০২৩ এর মোট ২৫টি অংশের অনুচ্ছেদ সংখ্যা ৩৪৫ যেখানে আয়কর আইন এবং প্রয়োগ এর বিস্তারিত বিবরন রয়েছে। 

আপনাকে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে কি না

অনেকেই  বিভিন্ন প্রয়োজনে টিন সার্টিফিকেট গ্রহন করেছেন কিন্তু তাদের বাৎসরিক আয় করযোগ্য না হওয়ার কারণে রিটার্ন দাখিল করছেন না, এই ভেবে বসে আছেন যে আমার আয়ের পরিমান তো  ট্যাক্স দেয়ার নয় তাহলে আমি কেন আয়কর রিটার্ন জমা দেবো ? এটা ভেবে বসে থাকার কোন সুযোগ নেই। যারা একবার টিন সার্টিফিকেট গ্রহণ করেছেন তাদেরকে অবশ্যই প্রত্যেক কর বর্ষের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হয়। 

এক্ষেত্রে আপনার করযোগ্য আয় থাকুক বা না থাকুক রিটার্ন কিন্তু জমা দিতেই হবে। আপনার আয়ের পরিমান করযোগ্য হয়ে থাকলে আয়কর প্রদান করতে হবে এবং আয়ের পরিমান করযোগ্য না হলে আয়কর ছাড়াই শূন্য রিটার্ন দাখিল করতে হবে, এটাই নিয়ম। অতএব আপনি যদি একজন টিন সার্টিফিকেট ধারী হয়ে থাকেন, মানে কোন কারনবশত টিন সার্টিফিকেট গ্রহন করে থাকেন তাহলে আইনি ঝামেলা এড়াতে অবশ্যই আপনার আয়কর রিটার্ন জমা দেয়া লাগবে।

আপনাকে আয়কর দিতে হবে কি না

টিন সার্টিফিকেট গ্রহন করেছেন বলেই যে আপনাকে আয়কর দিতেই হবে বিষয়টা তেমন নয়। যদি আপনার বাৎসরিক আয়ের পরিমান করসীমার উপরে যায় তাহলেই আপনাকে আয়কর দিতে হবে। অন্যথায় আপনার বাৎসরিক আয় যদি করসীমার নিচে থাকে তবে আপনাকে আয়কর দিতে হবে না । কিন্তু উল্লেখ্য যে, আয়কর না দিতে হলেও- আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে অবশ্যই । 

নিম্মরুপ ব্যক্তি এবং বাৎসরিক আয়ের পরিমানের ক্ষেত্রে আয়কর প্রদান করতে হবে।
* কোন ব্যক্তি-করদাতার (individual) আয় যদি বছরে ৩,৫০,০০০ টাকার বেশি হয়;
* মহিলা এবং ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতার আয় যদি বছরে ৪,০০,০০০ টাকার বেশি হয়;
প্রতিবন্ধি ও তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের আয় যদি বছরে ৪,৭৫,০০০ টাকার বেশি হয়
* গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতার আয় যদি বছরে ৫,০০,০০০ টাকার বেশি হয়
তাহলে আয়কর প্রদান করতে হবে।
অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সকল নিয়ম

আয়কর রিটার্ন দাখিল প্রক্রিয়া শুরু করবেন যেভাবে

অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের জন্য প্রথমে e-Return সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। e-Return সিস্টেমে রেজিষ্ট্রেশনের জন্য প্রথমে জাতীয় রজস্ব বোর্ড  বাংলাদেশ  এর ওয়েবসাইটে www.etaxnbr.gov.bd গিয়ে  রেজিস্ট্রেশনের সম্পন্ন করতে হবে। এর জন্য আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র দিয়ে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত একটি সিম থাকা অতীব জরুরী।

যদি আপনার NID দিয়ে রেজিষ্ট্রেশনকৃত কোন সিম না থাকে তবে, প্রথমেই একটা সিম আপনার NID দিয়ে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে রেজিষ্ট্রেশন করে নিন। তারপরে e-Return সিস্টেমে রেজিষ্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু করুন। অন্যথায় রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করতে পারবেন না।

e-Return সিস্টেমে রেজিষ্ট্রেশনের জন্য কি কি প্রয়োজন

e-Return সিস্টেমে রেজিষ্ট্রেশনের জন্য তেমন বাড়তি কোন ডকুমেন্টের প্রয়োজন নেই শুধু  আপনার TIN নাম্বার এবং আপনার নিজ NID দিয়ে রেজিষ্ট্রেশনকৃত সিম থাকলেই চলবে কারন সেই ফোন নাম্বারে একটি ওটিপি আসবে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করার জন্য। 

নিজ এনআইডি দিয়ে রেজিষ্ট্রেশনকৃত সিম ব্যতিতো কোন অবস্থাতেই e-Return সিস্টেমে রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন হবে না । অতএব রেজিষ্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু করার পুর্বে  নিশ্চিত হয়ে নিন যে, আপনার সিম টা আপনার নিজের এনআইডি দিয়ে রেজিষ্ট্রেশনকৃত কি না ।

e-Return সিস্টেমে রেজিষ্ট্রেশন করার পদ্ধতি

আমরা জেনেছি যে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া কিভাবে শুরু করতে হয় এবং রেজিস্ট্রেশন করার জন্য  কি কি প্রয়োজন। এখন রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার পালা। জাতীয় রজস্ব এর ওয়েবসাইটে www.etaxnbr.gov.bd গিয়ে I am not Registered yet বাটনে ক্লিক করে পরবর্তিতে আপনার TIN নাম্বার এবং মোবাইল নাম্বার ইনপুট দিয়ে ভেরিফাই বাটনে ক্লিক করতে হবে।

ভেরিফাই বাটনে ক্লিক করলে আপনার মোবাইল ফোনে ৬ ডিজিটের একটা ওটিপি আসবে সেটা নির্ধারিত জায়গায় বসিয়ে এবং তার নিচে পাসওয়ার্ড এর ঘরে নতুন একটা পাসওয়ার্ড সেট করতে হবে। এবং এরপরে রেজিষ্টার বাটনে ক্লিক করলে যদি ওটিপি ঠিক থাকে তাহলে রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন হবে।

e-Return সিস্টেমে সাইন ইন করে যেভাবে রিটার্ন দাখিল করবেন

প্রথমবার সফলভাবে রেজিস্ট্রেশন করার পর সাইন ইন করে প্রোফাইলের তথ্য প্রয়োজন অনুসারে আপডেট করতে পারবেন এরপর ধাপে ধাপে আপনার খাত ভিত্তিক আয়, বিনিয়োগ, পারিবারিক ব্যয়, সম্পদ ও দায় এবং কর পরিষদের তথ্য ইনপুট দিয়ে সহজেই রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। 

উল্লেখ্য তথ্য ইনপুট দেবার সময় সকল প্রমাণ ও তথ্য দেখে সঠিকভাবে ইনপুট দেওয়া জরুরী কেন না এখানে আপনার সকল আয় ব্যয় এবং সম্পদ বিবরণীর বিস্তারিত তথ্য রাজস্ব বোর্ডের সার্ভারে সংরক্ষিত থাকবে সে জন্য যথাযথ তথ্য ও সঠিক বিবরণী ইনপুট দিয়ে রিটার্ন দাখিল করাটা অতীব জরুরী। সকল তথ্য ইনপুট দেয়া হয়ে গেলে একবার রিভিউ করে নিন, সকল তথ্য সঠিক হলে  আপনার রিটার্ন টি সাবমিট করুন। তাহলেই আপনার কাজ শেষ।

অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় কি কি ডকুমেন্ট প্রয়োজন

অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য রেজিষ্ট্রেশ করার সময় কোন ডকুমেন্ট না লাগলেও অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার  সময় বেশকিছু ডকুমেন্ট প্রয়োজন হয় । কারন রিটার্ন দাখিলের সময় আপনার সকল প্রকার আয়ের বিবরন উল্লেখ করতে হয় । এবং কোন কোন উৎস হতে কত পরিমান আয় হয়েছে সেটাও তুলে ধরতে হয়। এছাড়াও আপনার সম্পদ বিবরনীতে আপনার সমস্ত সম্পদের বিবরন ইনপুট দিতে হয় ।

সাধারনত নিম্নবর্নীত ডকুমেন্টসমুহ প্রয়োজন পরে,
আপনি যদি চাকরিজীবি হয়ে থাকেন তাহলে আপনার বাৎসরিক স্যালারি স্টেটমেন্ট বা বেতন বিবরণী লাগবে। এবং আপনার যদি সঞ্চয়পত্র থাকে সেটা হতে উক্ত করবর্ষে আয় হয়ে থাকে তাহলে সেটার উৎসে আয়কর কর্তনের সার্টিফিকেট লাগে যেখানে মুনাফা এবং উৎসে কর কর্তনের বিস্তারিত তথ্য দেয়া থাকে। এছাড়াও আপনার যদি কোন ব্যাংকে কোন একাউন্ট (এফডিআর, ডিপিএস ইত্যাদি) থাকে এবং সেটা হতে কোন আয় হয় তাহলে সেই একাউন্টের স্টেটমেন্ট প্রয়োজন হয়। তাছাড়া আপনার যদি কৃষি বা অকৃষি জমি থাকে সেগুলার বিস্তারিত বিবরণী পেশ করতে হয় সে জন্য উক্ত জমিজমার কাগজপত্র সাথে থাকা প্রয়োজন।
অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সকল নিয়ম

ব্যক্তিশ্রেণীর করের হার কি পরিমানে নির্ধারন হয়

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর্তৃক ২০২৫-২০২৬ করবর্ষে সাধারণ ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের জন্য বার্ষিক করমুক্ত আয়সীমা ৩,৫০,০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং নারীদের ও ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী পুরুষদের  জন্য ৪,০০,০০০ টাকা এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ৪,৭৫,০০০ টাকা পর্যন্ত বার্ষিক করমুক্ত আয়সীমা নির্ধারন করা হয়েছে। 

নিচে ছকের মাধ্যমে ব্যাক্ত শ্রেণীর করের হার তুলে ধরা হল 

কর ভিত্তি কর হার
প্রথম ৩,৫০,০০০ শূন্য
পরবর্তী ১,০০,০০০ ৫ %
পরবর্তী ৪,০০,০০০ ১০%
পরবর্তী ৫,০০,০০০ ১৫%
পরবর্তী ৫,০০,০০০ ২০%
অবশিষ্ট মোট আয়ের উপর ২৫%

এখানে জেনে রাখা ভাল যে, করমুক্ত আয়ের সীমা  অতিক্রম করলেই কিন্তু ন্যূনতম কর প্রদান করতে হয়। এলাকা ভেদে ন্যূনতম করের পরিমান আলাদা আলাদা হয়ে থাকে । ন্যূনতম আয় করের পরিমান এলাকাভেদে নিম্নরুপঃ
এলাকার বিবরণ ন্যূনতম কর হার (টাকা)
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন
এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অবস্থিত করদাতা
৫০০০ টাকা
অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অবস্থিত করদাতা ৪০০০ টাকা
সিটি কর্পোরেশনের বাইরের এলাকায় অবস্থিত করদাতা ৩০০০ টাকা

অনলাইন রিটার্ন দাখিলের পরে, কর অফিসে কিছু দাখিল করতে হবে কি না

এখন আপনাদের মধ্যে একটা প্রশ্ন থাকতে পারে যে, অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের পর পুনরায় সার্কেল অফিসে রিটার্ন দাখিল করতে কিংবা কোন ডকুমেন্ট দাখিল করতে হবে কি না ? এর এক কথায় উত্তর হল না ! অনলাইনে রিটার্ন  দাখিলের পরে সার্কেল অফিসে কোন কিছুই  দাখিল করার প্রয়োজন নাই। অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করার সাথে সাথেই আপনার কর নির্ধারণ (অ্যাসেসমেন্ট ) সম্পন্ন হয়ে যাবে

এবং e-Return সিস্টেম থেকে সাথে সাথেই আপনি রিটার্ন দাখিলের প্রাপ্তি স্বীকার রশিদ ( Acknowledgement Certificate )  ও ট্যাক্স সার্টিফিকেট ( Income Tax Certificate ) ডাউনলোড করে নিতে পারবেন এবং সেই সার্টিফিকেট ও প্রাপ্তী স্বীকার রশিদ সকল ধরনের প্রয়োজনে ব্যাবহার করতে পারবেন।

পরিশেষে

অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সকল নিয়ম বিষয়ক আর্টিকেল টা পরে হয়তোবা আপনি ভালভাবেই বুঝতে পেরেছেন যে, কিভাবে আপনি আপনার আয়কর রিটার্নটি নিজে নিজেই জমা দিবেন বা দাখিল করবেন। পরিশেষে এই আশা করা যায় যে, কেউ যদি নিজে তার আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে চায়, ‍তবে সে চেষ্টা করলেই নিজেই দেখে শুনে তার রিটার্ন দাখিল করতে সক্ষম হবে।

আর তাছাড়া নিজে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে পারলে আপনাকে আর অন্য কারো দারস্ত হতে হবে না রিটার্ন দাখিলের জন্য । বরং আপনি নিজের সহ পরিবারে অন্য কারো রিটার্ন দাখিল করার প্রয়োজন হলে সেটাও করে দিতে পারবেন ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ভদ্রতা বজায় রেখে প্রসঙ্গীক কমমেন্ট করুন

comment url